দক্ষিণ কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় পাশ করা রোস্টারভুক্ত ডিলিট হওয়া ‘এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম’ (ইপিএস) কর্মীদের পুনঃরোস্টার ও সব রোস্টারভুক্তদের ভিসা ইস্যুর লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করছেন ইপিএস কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান করে তারা আন্দোলন করছেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ভেতরে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকৃতরা এ সময় নানা স্লোগান দেন।
আন্দোলনকৃত একজন বলেন, বোয়েসেল আমাদের ওপর অন্যায়-অবিচার করছে। ইপিএসের অনিয়মতান্ত্রিক সিস্টেমের কারণে আজ আমরা ভাষা শিখেও বেকার। ভাষা শিখে রোস্টারভুক্ত হয়েছি, তবু আমাদের ফাইল কোরিয়ায় পাঠানো হয়নি। আমরা এসব সমস্যার অবসান চাই।
রোস্টারভুক্ত মাছুম মিয়া বলেন, আমাদের ভাষা শিক্ষার দুই বছর পার হয়ে গেলে আমাদের বাদ দেওয়া হয়। কয়েকশ লোক ভাষা শিখেছে, অথচ এখন মেয়াদ শেষ। এত কষ্ট করে এত টাকা খরচ করে আমরা ভাষা শিখেছি, সেটা কি বিফলে যাবে? আমরা আর কত অপেক্ষা করব? বোয়েসেল আমাদের বিষয়ে আন্তরিক না। তারা চাইলে কোরিয়ায় এজেন্ট নিয়োগ করে লোক নিতে পারে। বোয়েসেল সেটা করছে না।
আন্দোলনকৃতদের দাবিগুলো হলো— রোস্টার ডিলেটকৃত ইপিএস কর্মী ২০২২ ও ২০২৩ ব্যাচের সব কর্মীকে দক্ষিণ কোরিয়া পাঠাতে হবেই; আমাদের দক্ষিণ কোরিয়া পাঠানো ব্যতীত নতুন করে কোন সার্কুলার দেওয়া যাবে না; আমরা দক্ষিণ কোরিয়া ব্যতীত অন্য কোনো দেশে যাব না; দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাতে যদি আমাদের কোনো অফিশিয়াল খরচ লাগে, তাহলে আমরা সব ইপিএস কর্মী দিতে ইচ্ছুক; ব্যাচ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া পাঠাতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিতে হবে।






