ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর এবং রাজধানীর মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনার নিন্দা সারা দেশে। এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও। তিনি বললেন, এসব গুরুতর অপরাধ সরকারের জন্য স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল।
আজ (রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে আসিফ নজরুল এ মন্তব্য করেন।
গতকাল (শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর চালানো হয়।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে বলে অভিযোগ। পরে মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও মালপত্র লুট করে নেয়া হয়। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা এসব ঘটনা প্রসঙ্গে লিখেছেন, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে এবং মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও লুটপাট গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু এগুলো শুধু অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ ধরনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের আইন ও কর্তৃত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ-এর মতো কিছু।
‘সরকারকে অবশ্যই এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করতে হবে। শুধু মাঠের ফুট সোলজারদের না, নেপথ্যে যারা আছে তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।’
আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘অপরাধ প্রতিরোধে ব্যর্থতার পেছনে কিছু বাস্তব সীমাবদ্ধতা বা যুক্তি থাকতে পারে। কিন্তু অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর অপরাধীকে শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং বিচারের মুখোমুখি করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কোনো অজুহাত থাকতে পারে না।’
‘এসব গুরুতর অপরাধ সরকারের জন্য স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল। অপরাধী যে দলের হোক না কেন, সরকারকে কঠোর হতে হবে। এখনই।’





