বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রায় এক বছর পর প্রথমবারের মতো পূর্ণশক্তির টেস্ট দল নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে অজিরা।
চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন। জায়গা হয়নি মাইকেল নেসারের। অ্যাশেজে দারুণ পারফরম্যান্স করলেও অভিজ্ঞ এই পেসারকে স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে হ্যামস্ট্রিং অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরেছেন ৩৮ বছর বয়সী লায়ন। অন্যদিকে পিঠের চোটের কারণে অ্যাশেজের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি কামিন্স। হ্যাজলউডও হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাকিলিসের চোট কাটিয়ে আইপিএলে খেলে ফিরেছেন।
এখন নির্বাচকদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, একাদশে কাকে রাখা হবে। কামিন্স, হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক, স্কট বোল্যান্ড ও নাথান লায়নের মধ্যে একজনকে বেঞ্চে বসতে হতে পারে। অতীতে বিগ থ্রি পেসাররা একসঙ্গে খেললে প্রায়ই একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে বোল্যান্ডকে।
নির্বাচক কমিটির প্রধান জর্জ বেইলি বলেন, ‘কামিন্স, হ্যাজলউড ও লায়ন গত কয়েক মাস ধরে ব্যক্তিগতভাবে এবং স্পোর্টস সায়েন্স দলের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করেছে চোট থেকে ফিরতে। ১৩ সদস্যের স্কোয়াড হলেও প্রয়োজনে পরিবর্তনের জন্য আরও খেলোয়াড় প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ১২ মাসের ব্যস্ত সূচিতে অনেক ক্রিকেটারই সব ফরম্যাটে সুযোগ পাবে।’
দীর্ঘদিনের ওপেনার উসমান খাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ায় তার জায়গা নিয়েও চলছে আলোচনা। ক্যামেরন গ্রিন, বিউ ওয়েবস্টার কিংবা জশ ইংলিস—এই তিনজনের মধ্যে কেউ একজন মিডল অর্ডারে সুযোগ পেতে পারেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট হবে ২২ আগস্ট ম্যাকের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালের পর এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজ।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াড:
প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স কেরি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, জেক ওয়েদারাল্ড ও বিউ ওয়েবস্টার।






