ঢাকা | শনিবার, ২০ জুন ২০২৬,৬ আষাঢ় ১৪৩৩

পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দাবিতে আমরণ অনশনে ইবির দুই শিক্ষার্থী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন দুই শিক্ষার্থী। সমাজকল্যাণ বিভাগের ছাত্র বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ এবং আইন বিভাগের ছাত্র রাজু আহমেদ জীবন অনশন শুরু করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তারা অনশন শুরু করেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। তাদের অন্য দাবি হলো- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।

এসময় প্রশাসন ভবন ফটকে ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই’, ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চাই-বাতিল চাই’ লেখাসহ বিভিন্ন প্রতিবাদী পোস্টার ঝুলিয়ে দেয় তারা।

বাঁধন বিশ্বাস বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। এতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহিদ হয়েছিল ও ২২ হাজারের বেশি আহত হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোষ্য কোটা বাতিল করা হয়নি। বিগত প্রশাসন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেননি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি- পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং অযৌক্তিক ফি-গুলো কমাতে হবে। পাশাপাশি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে হয়রানি বন্ধ করা ও সার্টিফিকেট উত্তলনে শিক্ষার্থীদের হয়রানির বন্ধ করতে হবে।

রাজু আহমেদ জীবন বলেন, পোষ্য কোটা বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ বন্ধ, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধ এবং সব অযৌক্তিক ফি কমানোর দাবিতে আমি অনশনে বসেছি। অনশনে থাকা অবস্থায় আমাকে প্রক্টর স্যার ডেকে নিয়ে তোমার নাম কী? কোন বিভাগ? কোন সেশন? সহ বিভিন প্রশ্ন করেন এবং আমাকে অনশন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা দাবি আদায় না হওয়ায় পর্যন্ত উঠতে চাচ্ছে না। আমরা তদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা ক্যাম্পাসে আসবেন।