চট্টগ্রাম মহানগরে যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ ডিপিপি ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একইসাথে ৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নিরাপদ নগরী ও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।
চসিক মেয়র বলেন, গতকাল এক সভার মাধ্যমে আমরা পুরো বিষয়টি তুলে ধরেছি। এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম ও নিরাপদ নগরীড গড়ে তুলতে এই প্রকল্প দুটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটির ব্যয় ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ও অন্যটির ব্যয় ৪৪৫ কোটি টাকা। নগরের ৫৬টি ট্রাফিক জোন ও ইন্টারসেকশনে এসব ক্যামেরা বসবে।
চসিক সূত্র জানায়, চট্টগ্রামকে একটি ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৫৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আনা হয়েছে। এর ফলে স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট সিগন্যাল ও ট্রাফিক ফ্লো মনিটরিং ক্যামেরা থাকবে। বিশেষ করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী গাড়ি ও লাল বাতি (রেড সিগন্যাল) অমান্যকারীদের শনাক্ত করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকছে এই প্রযুক্তিতে। এতে গাড়ির নম্বরপ্লেট চেনার জন্য আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেমও রয়েছে।
সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম ও আবু সাদাত তৈয়বসহ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।াচওব=াট্টগ্রামে ট্রাফিক জোনে বসছে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা
চট্টগ্রাম মহানগরে যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ ডিপিপি ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একইসাথে ৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নিরাপদ নগরী ও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।
চসিক মেয়র বলেন, গতকাল এক সভার মাধ্যমে আমরা পুরো বিষয়টি তুলে ধরেছি। এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম ও নিরাপদ নগরীড গড়ে তুলতে এই প্রকল্প দুটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটির ব্যয় ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ও অন্যটির ব্যয় ৪৪৫ কোটি টাকা। নগরের ৫৬টি ট্রাফিক জোন ও ইন্টারসেকশনে এসব ক্যামেরা বসবে।
চসিক সূত্র জানায়, চট্টগ্রামকে একটি ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৫৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আনা হয়েছে। এর ফলে স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট সিগন্যাল ও ট্রাফিক ফ্লো মনিটরিং ক্যামেরা থাকবে। বিশেষ করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী গাড়ি ও লাল বাতি (রেড সিগন্যাল) অমান্যকারীদের শনাক্ত করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকছে এই প্রযুক্তিতে। এতে গাড়ির নম্বরপ্লেট চেনার জন্য আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেমও রয়েছে।
সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম ও আবু সাদাত তৈয়বসহ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।






