পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বুধবার বলেছেন, এক বছর পার হলেও ভারত এখনো পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পেহেলগামে সংঘটিত ওই হামলায় ২৬ জন নিহত হন। এর অধিকাংশই ছিলেন পর্যটক। একে ২০০০ সালের পর থেকে বিতর্কিত হিমালয় অঞ্চল কাশ্মীরে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সশস্ত্র হামলা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। হামলার দায় তখন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) নামের একটি অজ্ঞাত গোষ্ঠী স্বীকার করেছে বলে দাবি করা হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।
হামলার বর্ষপূর্তিতে টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে আতাউল্লাহ তারার স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভারত পাকিস্তানের প্রস্তাবিত নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত ভারত পেহেলগাম ঘটনার বিষয়ে কোনো শক্তিশালী প্রমাণ বা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা উপস্থাপন করতে পারেনি। তারার আরও দাবি করেন, পেহেলগামের তথাকথিত ফ্ল্যাগ-অপারেশন ভারতের এমন এক মানসিকতার প্রতিফলন, যা শূন্য গর্ব, অহংকার ও লোভ দ্বারা পরিচালিত। তিনি বলেন, ভারতের সমস্যা হলো তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে বাহ্যিক হিসেবে এবং বাহ্যিক বিষয়কে অভ্যন্তরীণ হিসেবে উপস্থাপন করে। সন্ত্রাসবাদ এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদ ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। কিন্তু তারা এটিকে বাহ্যিক সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করে। একইভাবে, কাশ্মীর ইস্যু একটি আন্তর্জাতিক বিষয় হলেও ভারত এটিকে অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে দেখাতে চায়।






