ঢাকা | রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬,২৩ কার্তিক ১৪৩৩

বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে বিএনপির ২ পক্ষের সংঘর্ষ

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচী পালন নিয়ে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা সদরের থানা ভবনের সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলা সদরে পৃথক দুটি মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষ। মিছিল দুটি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হয়। এ সময় এক পক্ষ আরেক পক্ষকে রাস্তা ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এসে থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই দুই পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

পরে লাঠিসোঁটা নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কমপক্ষে ১২ জন আহত হন। এর মধ্যে পাঁচ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির এক পক্ষে আছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জুলফিকার চৌধুরীসহ অন্যরা। অন্য পক্ষে আছেন যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মালিকসহ অন্যরা।

মাসুম মাহমুদ তালুকদার বলেন, ‘আমাদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। চার জন যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী ছিলেন। তারা আমাদের মিছিলের পথরোধ করে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের তিন-চারজন আহত হয়েছেন।’

অপরপক্ষের উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী বলেন, তারা মিছিল শেষে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলেন। তখন প্রতিপক্ষের লোকজন এসে সেখানে মিছিল-স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে উত্তেজনা এবং পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী বলেন, ‘মূলত দুটি মিছিল মুখোমুখি হওয়ার পরই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে।’