নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েও চাকরি পাননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। তিনি জানিয়েছেন, দ্রুতই মিশনের নিয়োগের বিষয়ে সমাধান হবে।
তিনি আরও লেখেন, ‘চাকরিপ্রত্যাশী ছোট ভাইটি আমার এলাকার হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে অনেকে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিল। তাদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এদিকে, রাশেদ খানের সঙ্গে কথা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী মিশন আচার্য। তিনি জানান, রাশেদ খান তাকে আশ্বস্ত করেছেন এবং ঢাকায় গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে কথা বলেছেন।
মিশন আচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায়।
মিশনের অভিযোগ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে তিনি ১৭তম স্থান অধিকার করেন। মোট ১৮২ জনকে সুপারিশ করা হলেও ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেয়া হয়েছে। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অন্যজন তিনি নিজে।
তার স্থায়ী ঠিকানায় কোনও বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাবার ঠিকানা থেকে তিনি বঞ্চিত হন। এরপর থেকে তিনি মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। কলাবাগান এলাকাতেই তার জন্ম এবং জন্মের পর থেকে সেখানেই তিনি বসবাস করছেন বলে দাবি করেন।






