ঢাকা | বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬,২২ আশ্বিন ১৪৩৩

১০১ গুণী শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ

৫ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের ১০১ গুণী শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা দেবে সরকার। গুণী শিক্ষক সম্মাননা হিসেবে প্রতিজনকে ২ লাখ টাকা ও ক্রেস্ট দেয়া হবে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি ৯৫ জনকে চূড়ান্ত করেছে। তবে এই তালিকায় থাকা কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য পাওয়া গেলে তালিকা থেকে তার নাম বাদ যাবে।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র এ তথ্য জানা যায়।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষক সম্মাননা হিসেবে প্রতিজনকে ২ লাখ টাকা দেয়া হবে। সম্মাননা দেয়ার জন্য গঠিত ৬টি সার্চ-কমিটির আহ্বায়করা জাতীয় পর্যায়ের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত বিভিন্ন পর্যায়ের ২৫০ জন গুণী শিক্ষকের তালিকা জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির বিবেচনার জন্য পেশ করে। এ গুণী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ক্যাটাগরিভিত্তিক ১০১ জন গুণী শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

তালিকায় প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা, কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায় থেকে শিক্ষক নির্বাচন করা হয়।

তালিকা অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ২০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ২৫ জন শিক্ষক সম্মাননা পাবেন।

এ ছাড়া সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০ জন, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেয়া হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ জন শিক্ষককে এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত ৬ জন শিক্ষকও সম্মাননা পাবেন।

সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বায়োক্যামিস্ট এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. রফিকুর রহমান, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, রসায়ন বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. তাজমেরী এস এ ইসলাম, অধ্যাপক, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের অনারারি অধ্যাপক অধ্যাপক ড. খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দীন খান, রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক প্রতীমনা আহমেদ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ড. অরুণ কুমার বসাক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহীম হোসেন মন্ডল, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগ, প্রফেসর ড. মো. গোলাম ছাদিক, ফার্মেসী বিভাগ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. আ ন ম মুনির আহমেদ চৌধুরী, সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও লোকপ্রসাশন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান (মরণোত্তর)। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি ডিসিপ্লিন প্রফেসর ড. মো. নাসিফ আহসান, প্রফেসর ড. মো. মোরসালিন বিল্লাহ বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

সাধারণ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. নোভা আহমেদ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড ডিজাইন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

সরকারি কলেজের গুণী শিক্ষকের তালিকা: ফরিদপুরের মধুখালীর সরকারি আইন উদ্দীন কলেজের বাংলার সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ টিপু সুলতান। কক্সবাজারের রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল ড. মো. আব্দুর রহিম (এমফিল, পিএইচডি, এইসি)। নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু তাহের খান। বগুড়ার সরকারি মজিবর রহমান ভাণ্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. বেল্লাল হোসেন। চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. মাসুদ হোসেন। রাজশাহী কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল ইসলাম। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের রসায়নের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। কবি নজরুল সরকারি কলেজের বিপণন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল রাসুল। বিএএফ শাহীন কলেজের বাংলার সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান। নরসিংদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দিন। ভোলার লালমোহনের সরকারি শাহবাজপুর কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মোল্লা। বান্দরবানের আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্ভিদবিদ্যার প্রভাষক সুস্মিতা পাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক মো. আহসান শাহরিয়ার তোহফা। কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলার অধ্যাপক প্রফেসর ড. তৌহিদা জেসমিন শম্পা। নাটোরের সেন্ট যোসেফস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার শংকর ডমিনিক গমেজ।

প্রাথমিকে মনোনীত: ঢাকার সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান। জামালপুরের ইসলামপুরের ডি-বালিয়ামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিবুল হাসান। চাঁদপুর সদরের বিঞ্চদী আজিমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা। বগুড়ার সোনাতলার আমলীতলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকা। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ব্রহ্মপুত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজ আল মিনার। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি রাণী দেব। খুলনার কয়রা উপজেলার মঠবাড়ী সেরাজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এস এম সেরাজুল ইসলাম। ভোলার সদর উপজেলার নজরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মাৎ সাহিদা আক্তার।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. মো. ফজলুল করিম।

চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় থেকে মনোনীতরা হলেন: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. শফিকুল বারী, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের ফার্মাকোলজি ও থেরাপিউটিকস বিভাগে বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. শামিনুল মাসুদ আহমেদ।

চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীতরা হলেন- বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী (মরণোত্তর), সাবেক ইএনটি সার্জন অধ্যাপক ডা. এম এ মাজেদ (মরণোত্তর), গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মবিন খান (মরণোত্তর), চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস (মরণোত্তর), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এম এ মালেক (মরণোত্তর), ফিটোম্যাটারনাল মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ এস এম এ রায়হান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীতরা হলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল আহসান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহিম (মরণোত্তর), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহজাহান (মরণোত্তর), সাবেক উপাচার্য, অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. হারুন-উর-রশিদ, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আব্দুর রফিক, অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

ক্যাটাগরি: প্রাথমিক (ইবতেদায়ি): কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি জুনিয়র শিক্ষক মোছা. আকলিমা আক্তার। পটুয়াখালী ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি প্রধান মো. নুরে আলম।

ক্যাটাগরি: মাধ্যমিক (দাখিল): চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গণিতের সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উচ্চগাঁ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার গণিতের সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ আনিছুর রহমান মজুমদার। যশোরের আলহাজ্ব্ মতিউর রহমান মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার ইংরেজির সহকারী শিক্ষক মারুফা সুলতানা। পাবনা সদরের মির্জাপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার জীববিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মো. ইকরামুল হক। ঈশ্বরদী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মিনারুল ইসলাম।

কলেজ (আলিম-ফাজিল-কামিল): কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদ্রাসার আদবের প্রভাষক ড. মো. আব্দুর রহিম মুকুল। মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া মুহাম্মদাবাদ ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রফিক। সুনামগঞ্জের ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক ড. মো. আহমাদুল্লাহ। পাবনার পুষ্পপাড়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. ইমরান হুসাইন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মো. মোশারফ হোসাইন।

মাধ্যমিক পর্যায়ের নির্বাচিত ১০ জন গুণী শিক্ষকের তালিকা: ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের রসায়নের সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ার পাচজুনিয়া ধানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মু. কুতুব উদ্দিন তালুকদার। ঢাকা জেলার ধানমন্ডির গভ. বয়েজ হাই স্কুলের কৃষি শিক্ষার সিনিয়র শিক্ষক এ.কে.এম মিজানুর রহমান। ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. রশীদ আলম। কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সরযূ বালা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার পারভেজ। বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলার সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুর রউফ হোসেন। জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম। মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার শিবালয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমান। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক চম্পানন চাকমা। চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন।

কলেজ (কারিগরি) ক্যাটাগরি: রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক। ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজির ইনস্ট্রাক্টর তসলিম উদ্দিন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুরের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ড. মো. আরিফুল আলম। ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজির ইনস্ট্রাক্টর ড. মো. শাহরিয়ার আলম। ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলম।

মাধ্যমিক (কারিগরি) ক্যাটাগরি: গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের চিফ ইনস্ট্রাক্টর জেসমিন সুলতানা। মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের চিফ ইনস্ট্রাক্টর প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দিন। চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ। নারায়ণগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিনুল হক। সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ইঞ্জি. সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ।