দিবাগত ১৬ই নভেম্বর, মধ্যরাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রান্সপোর্ট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার লাগানোর ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে নিজেদের অস্তিত্ব ও কার্যক্রমের জানান দিলো নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত এবং ক্যাম্পাস হতে বহিষ্কৃত দলটির নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের আশেপাশে অবস্থান করে আবারও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি এবং কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ।
এঘটনা নিয়ে, জাকসু এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেছেন- “ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে আমরা (জাকসু প্রতিনিধিরা) গিয়েছিলাম। হতবাক হওয়ার মতো ব্যাপার হলো লাইনের কাজ করার নামে গতকাল সকাল থেকে ট্রান্সপোর্ট চত্বর সংলগ্ন এরিয়ার সিসিটিভি ও ইন্টারনেট লাইনের কানেকশন সব বন্ধ করা ছিলো। যেটা সচল হচ্ছে আজ থেকে। এই তথ্য সিসিটিভি নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও প্রকৌশল অফিসের ইলেক্ট্রিক বিভাগ থেকে বাইরে গিয়েছে ধারণা করা যায়। এই তথ্য কারা দিলো, কারা ছাত্রলীগকে সহায়তা করলো অবিলম্বে তা বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরণের পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনকে বাধ্য করা হবে।”
উল্লেখ্য, এর আগেও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গত ২৮শে অক্টোবর জাবি’র প্রধান ফটকের সামনে সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল। অভিযুক্তদের নাম পরিচয় ও তথ্যপ্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।







