ঢাকা | রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬,১৬ কার্তিক ১৪৩৩

পরপর দুই ফাইনাল খেলাও কম বড় অর্জন নয়: স্কালোনি

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজতেই একদিকে যখন বিশ্বজয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ল স্পেন, অন্যদিকে তখন আকাশি-সাদা জার্সিতে নেমে এল নিস্তব্ধতা। বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণে ১-০ ব্যবধানের হারে বিশ্বজয়ের মুকুট হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার বিষাদময় দিনেও অজুহাত না খুঁজে বাস্তবতাকে মাথা পেতে নিয়েছেন আলবিসেলেস্তে মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্কেলোনি।

প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেওয়ার পাশাপাশি স্কালোনি মনে করিয়ে দিলেন এক কঠিন সত্য—বিশ্বফুটবলের চূড়ায় উঠে পরপর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখাটাও কম বড় অর্জন নয়! হেরে যাওয়াটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও, শিষ্যদের লড়াই ও চেষ্টার বিন্দুমাত্র ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কেলোনি।

ফাইনালে নামার আগেই দলটি যে খেলোয়াড় সংকটে বেশ ‘শর্ট-স্টাফড’ ছিল, তা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। তবুও ২০২২ সালে কাতার জয়ের পর আবারও পরপর দুই বিশ্বকাপে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছানোকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন এই আলবিসেলেস্তে মাস্টারমাইন্ড, “আমাদের এই সত্যিটা স্বীকার করতেই হবে যে, টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের এই চূড়ায় উঠতে পারাটাই অনেক বড় বিষয়।”

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠের পাশে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত স্কেলোনি বলেন, ‘হারের অনুভূতিটা অবশ্যই কষ্টের, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বস্বটাই মাঠে উজাড় করে দিয়েছি। কীভাবে আমরা এতটা পথ পেরিয়ে এখানে এসে পৌঁছেছি, তা নিয়ে আমার অনেক কিছুই বলার আছে, তবে এখন আর সেসব ভেবে লাভ নেই। এই ছেলেদের প্রতি আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা, যারা আবারও একটা ফাইনাল খেলল এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করল। দিনশেষে স্পেনই আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে, তবে এই দলটাকে নিয়ে আমার দারুণ সব স্মৃতি থেকে যাবে। এত দূর আসতে পারাটা যে কতটা কঠিন, সেই অর্জনকে আমাদের সম্মান জানানো উচিত।’

তবে দল হেরে গেলেও ফুটবল মাঠের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতাকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিচ্ছেন আর্জেন্টিনার এই সফল কোচ, ‘জয়ের আনন্দে আমরা যেমন এক থাকি, হারের বিষাদকেও একইভাবে সম্মান জানানো উচিত। আমরা মেনে নিচ্ছি যে আজ আমরা হেরেছি। তবে আমরা আমাদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়েছি। একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে হয়তো আমরা খেই হারিয়ে ফেলেছি, কিন্তু খেলোয়াড়েরা আজ মাঠে যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে—তা আমাদের দেশের মানুষ এবং তরুণদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ফুটবল আপনাকে হারাবে, আবার আপনাকে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’

নির্দিষ্ট করে কোনো খেলোয়াড়ের ইনজুরি নিয়ে অজুহাত দিতে না চাইলেও, পুরো ৯০ মিনিট জুড়েই চরম শারীরিক ধকল আর ইনজুরির ধাক্কা সামলাতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। মাঠ ছাড়তে হয়েছে রক্ষণভাগের দুই বিশ্বস্ত সেনানি ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে। তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শিষ্যদের এমন আত্মত্যাগে গর্বিত স্কেলোনি যোগ করেন, “শেষ মুহূর্তগুলোর কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে, কারণ ফাইনালের এই জায়গায় পৌঁছানো কতটা কষ্টের, তা কেবল আমরাই জানি। ট্রফিটা আমরাই উঁচিয়ে ধরতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এই ছেলেদের প্রতি ধন্যবাদ ছাড়া আমার আর কিছুই বলার নেই। আপনি ভালো খেলতে পারেন কিংবা খারাপ, কিন্তু যখন কেউ মাঠে এভাবে নিজের সবটুকু ঢেলে দেয়—তখন তাকে আর দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না।’নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজতেই একদিকে যখন বিশ্বজয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ল স্পেন, অন্যদিকে তখন আকাশি-সাদা জার্সিতে নেমে এল নিস্তব্ধতা। বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণে ১-০ ব্যবধানের হারে বিশ্বজয়ের মুকুট হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার বিষাদময় দিনেও অজুহাত না খুঁজে বাস্তবতাকে মাথা পেতে নিয়েছেন আলবিসেলেস্তে মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্কেলোনি।

প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেওয়ার পাশাপাশি স্কালোনি মনে করিয়ে দিলেন এক কঠিন সত্য—বিশ্বফুটবলের চূড়ায় উঠে পরপর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখাটাও কম বড় অর্জন নয়! হেরে যাওয়াটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও, শিষ্যদের লড়াই ও চেষ্টার বিন্দুমাত্র ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কেলোনি।

ফাইনালে নামার আগেই দলটি যে খেলোয়াড় সংকটে বেশ ‘শর্ট-স্টাফড’ ছিল, তা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। তবুও ২০২২ সালে কাতার জয়ের পর আবারও পরপর দুই বিশ্বকাপে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছানোকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন এই আলবিসেলেস্তে মাস্টারমাইন্ড, “আমাদের এই সত্যিটা স্বীকার করতেই হবে যে, টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের এই চূড়ায় উঠতে পারাটাই অনেক বড় বিষয়।”

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠের পাশে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত স্কেলোনি বলেন, ‘হারের অনুভূতিটা অবশ্যই কষ্টের, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বস্বটাই মাঠে উজাড় করে দিয়েছি। কীভাবে আমরা এতটা পথ পেরিয়ে এখানে এসে পৌঁছেছি, তা নিয়ে আমার অনেক কিছুই বলার আছে, তবে এখন আর সেসব ভেবে লাভ নেই। এই ছেলেদের প্রতি আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা, যারা আবারও একটা ফাইনাল খেলল এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করল। দিনশেষে স্পেনই আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে, তবে এই দলটাকে নিয়ে আমার দারুণ সব স্মৃতি থেকে যাবে। এত দূর আসতে পারাটা যে কতটা কঠিন, সেই অর্জনকে আমাদের সম্মান জানানো উচিত।’

তবে দল হেরে গেলেও ফুটবল মাঠের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতাকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিচ্ছেন আর্জেন্টিনার এই সফল কোচ, ‘জয়ের আনন্দে আমরা যেমন এক থাকি, হারের বিষাদকেও একইভাবে সম্মান জানানো উচিত। আমরা মেনে নিচ্ছি যে আজ আমরা হেরেছি। তবে আমরা আমাদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়েছি। একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে হয়তো আমরা খেই হারিয়ে ফেলেছি, কিন্তু খেলোয়াড়েরা আজ মাঠে যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে—তা আমাদের দেশের মানুষ এবং তরুণদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ফুটবল আপনাকে হারাবে, আবার আপনাকে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’

নির্দিষ্ট করে কোনো খেলোয়াড়ের ইনজুরি নিয়ে অজুহাত দিতে না চাইলেও, পুরো ৯০ মিনিট জুড়েই চরম শারীরিক ধকল আর ইনজুরির ধাক্কা সামলাতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। মাঠ ছাড়তে হয়েছে রক্ষণভাগের দুই বিশ্বস্ত সেনানি ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে। তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শিষ্যদের এমন আত্মত্যাগে গর্বিত স্কেলোনি যোগ করেন, “শেষ মুহূর্তগুলোর কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে, কারণ ফাইনালের এই জায়গায় পৌঁছানো কতটা কষ্টের, তা কেবল আমরাই জানি। ট্রফিটা আমরাই উঁচিয়ে ধরতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এই ছেলেদের প্রতি ধন্যবাদ ছাড়া আমার আর কিছুই বলার নেই। আপনি ভালো খেলতে পারেন কিংবা খারাপ, কিন্তু যখন কেউ মাঠে এভাবে নিজের সবটুকু ঢেলে দেয়—তখন তাকে আর দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না।’