অাদর্শ ও ভালোবাসার আরেক নাম শিক্ষক। এক জন শিক্ষক শিক্ষার্থীর কাছে অভিভাবক। মাতা-পিতার পরই তার স্থান। একজন শিক্ষার্থীর আলোকিত ভবিষ্যত নির্মাণে শিক্ষকের ভূমিকা অসীম। শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের পথ দেখায়। উৎসাহিত করে হতাশ করে না। শাসন করে যে শাসনে স্নেহ ও মমতা থাকে। এক জন শিক্ষার্থীর হৃদয়জুরে থাকে তার শিক্ষকের প্রভাব। এজন্য বাবা-মা শিক্ষকদের উপর ভরসা করে, আস্থা রাখে ও বিশ্বাস করে।

তবে এসব কিছু নির্ভর করে একজন শিক্ষক কতটা হৃদয়বান তার উপর। কিন্তু এ কি হল সমাজের কোথায় সে হৃদয়বান শিক্ষক? কোথায় তাদের মহানুভবতা? সংকীর্ণ মনের মানুষরাই আজ শিক্ষকতা পেষায়!

কোথায় যেন হারিয়ে গেছে আমাদের সেই হৃদয়বান শিক্ষক? যাদেরকে আমরা আজও ভুলতে পারি নাই। তবে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে যারা শিক্ষক নামে যারা পরিচিত এরা কারা?

সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনায় তাই প্রতীয়মান হচ্ছে। লোভ, মনের সংকীর্ণতা, লালসা, তাদের গ্রাস করছে। এমন সংকীর্ণ মনের শিক্ষকদের কাছ থেকে কি শিখেছে আমাদের প্রজন্ম? বর্তমানে সমাজের শিক্ষকরা মনের দিক থেকে অত্যান্তই গরিব। আমার মনে হয় আফ্রিকার দারিদ্র্য দেশগুলোর থেকেও তাদের মনের অবস্থা খুবই শোচনীয়!

অরিত্রীরা আজ আর নিরাপদ নয় এসকল ভয়ংকর শিক্ষকদের কাছে! যা নিয়ে খুবই ভীত, চিন্তিত ও হতাশায় অভিভাবকগণ ও শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের এরকম ভূমিকা জাতিকে নিঃসন্দেহে হতাশ করে। শিক্ষকদের এ অবস্থার দায় রাষ্ট্র এরাতে পারে না। শিক্ষক ও শিক্ষার বেহাল দশা নিয়ে রাষ্ট্রকে এখনই ভাবা দরকার। নইলে জাতি হিসেবে আমরা আলোর ঠিক উল্টো পথেই যাচ্ছি!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here