সমাজ পরিবর্তনে ঢাবি শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে সামাজিক সংগঠন

একটি সমাজ বা দেশের মূল প্রাণ শক্তি তরুণরা। তাদের হাত ধরেই যুগে যুগে সমাজ এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। এই তরুণরা চাইলে নিমিষেই যেকোনো অসঙ্গতি দূর করতে পারে। সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ, নিরক্ষরতা, বৈষম্য দূর করার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে “ইয়ং বেঙ্গল” নামের সামাজিক সংগঠন। যার নেতৃত্বে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সাকের আরিফ।

আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে এক লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান হয়, সম্প্রতি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার শ্যামের গাঁও গ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সংগঠনটি। যার পেছনে পাঞ্জেরীর ভূমিকায় রয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।

সংগঠনের নামকরণ বিষয়ে আরিফ বলেন, কলকাতার “ইয়ং বেঙ্গল সোসাইটি” থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম। তাদের সেই সময়ের কর্মকান্ড ও সমাজ পরিবর্তনের যে ডাক তারা দিয়েছেন তা সত্যি আলোড়ন সৃষ্টি করার মতো। তাই, আমরা আমাদের সংগঠনের নাম দিয়েছি “ইয়ং বেঙ্গল”।

“একটি সমাজের পরিবর্তন, তরুণ সমাজের সমর্থন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি তরুণদের অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই তরুণ সংগঠক।

সংগঠনটি সমাজ পরিবর্তনে কতগুলো মূলনীতি সমূহ হল- গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, একতা, শিক্ষা প্রসার, মাদক নির্মূলে আপোষহীনতা, পরিবেশ ও সামাজিক সচেতনতা, দূর্যোগ মোকাবেলায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণ, তথ্য ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, ইভটিজিং রোধ।

সংগঠনের ভবিষৎ কার্যক্রমের বিষয়ে আরিফ আরো বলেন, আমরা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের সকল অসঙ্গতি দূর করে। একটি সুখী, সমৃদ্ধ, মাদক মুক্ত, শিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে দরিদ্র মানুষদের ভাগ্যোন্নয়নের প্রচেষ্টা করব। এক্ষেত্রে আমাদের সকল কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।

উল্লেখ্য, সংগঠনটিকে অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ৩০ টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here