বাংলা একাডেমিতে ‘লেখক ক্লাব’ নামে একটি কক্ষ উদ্বোধনের আগেই আকবর আলী সিরাজি নামের একজন জীবনসদস্য তা ‘দখল করার চেষ্টা করেছেন’ বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনি কয়েকজনকে নিয়ে এসে কক্ষটিতে ‘নিজস্ব তালা’ লাগিয়ে বাংলা একাডেমির নিরাপত্তাকর্মীর কাছে একটি চাবি দিয়ে গেছেন।
দখল চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে আলী সিরাজি বলেছেন, তিনি তালা দিতে বললেও নিজে তালা দেননি; একাডেমির নিরাপত্তাকর্মীরাই তালা দিয়েছেন।
তবে একাডেমির কর্মীরা বলছেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে একাডেমির ড. মুহম্মদ এনামুল হক ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাষা প্রশিক্ষণ উপবিভাগ এবং নির্মাণাধীন বাংলা একাডেমি লেখক কেন্দ্রের মূলফটকে নিজস্ব তালা লাগিয়ে দেয় সিরাজীর লোকজন।
এই ঘটনার পর বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ আকবর সিরাজীকে চিঠি দিয়ে ৫ দিনের মধ্যে তার বক্তব্য জানতে চেয়েছে।
তবে সিরাজী বলছেন, বাংলা একাডেমির এ ধরনের কোনো চিঠি তিনি ‘পাননি’।

বাংলা একাডেমির সচিব মো. সেলিম রেজা বলেন, “আকবর সিরাজী গতকাল কিছু লোককে নিয়ে এসে নির্মাণাধীন লেখক কেন্দ্রের সামনের ফটকে তালা দিয়ে দিয়েছেন। এতে ওই লেখক কেন্দ্রের পাশে যে একাডেমির অফিস আছে আছে, সেগুলোও তালাবন্ধ হয়ে যায়।
“আর লেখক ক্লাব তো এখনো উদ্বোধন হয়নি। কিছু ফার্ণিচার কেনা হয়েছে, সেগুলো এখনো সেট করা হয়নি। অথচ তিনি নিজে নিজেই সেগুলো কয়েক জায়গায় সেট করে আমাদের নিরাপত্তাকর্মীকে বলেছেন, এখন থেকে তারা এখানে নিয়মিত বসবেন। এটা নাকি তাদের সংগঠনের অফিস হিসেবে ব্যবহার করবেন।”
সেলিম রেজা বলেন, “আমরা তাকে ফোন করে জানতে চেয়েছি, এরপর লিখিত চিঠি দিয়েও ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী তো এটা তিনি করতে পারেন না। আমরা সেই তালা খুলে আমাদের তালা লাগিয়েছি।”
সরকারি অফিসের কক্ষে এভাবে তালা দেয়ার ঘটনায় থানায় কোনো জিডি করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, “আমরা এ নিয়ে এখনো থানায় কোনো জিডি করিনি।”
অধ্যাপক আজম বলেন, “বাংলা একাডেমিতে লেখক ক্লাব করা হচ্ছে। তবে সেটি এখনো উদ্বোধন করা হয়নি। লেখক ক্লাব কীভাবে পরিচালিত হবে, তার নিয়ম বা বিধিও তৈরি হয়নি।”
খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর।






