স্থায়ী ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাসের অচলাবস্থা নিরসন, শক্তিশালী ও কার্যকরী প্রশাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মত বিক্ষোভ করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির অস্থায়ী ক্যাম্পাস সরকারি গুরুদয়াল কলেজ প্রাঙ্গণের বিক্ষোভ থেকে উপাচার্যের কার্যালয়, রেজিস্ট্রার ও বিভাগীয় কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার সকাল থেকেও পুনরায় ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়েও তারা যা সুবিধা পাওয়া দরকার, তা পাচ্ছেন না। প্রয়োজন মতো ল্যাব নেই। শ্রেণিকক্ষ সীমিত। এ ছাড়া একই ভবনে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের কার্যক্রম চলায় তাদের পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থা খুব নাজুক অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাসহ সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কিংবা ভূমিকা রাখতে পারছে না।
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা তাদের নিদিষ্ট ক্যাম্পাসের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের এই আন্দোলন যৌক্তিক; আমরাও তাদের সমর্থন জানাচ্ছি।”
২০২৩ সালের ৩ মার্চ সরকারি গুরুদয়াল কলেজের একটি বহুতল ভবনে অস্থায়ীভাবে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়। নানা জটিলতায় ভূমি অধিগ্রহণের কাজ আটকে থাকায় এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।






