সাত দশমিক চার মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চল। প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনের। আহত হয়েছেন ৫ শতাধিক। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেড় হাজারের বেশি ভবন। এমন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ দিয়েছে সহায়তার আশ্বাস। বন্ধ রয়েছে ৫টি বিমানবন্দর। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।
একটি তীব্র ঝাঁকুনি। আর চোখের নিমিষেই ধসে পড়েছে চারতলা ভবন। শুধু এই ভবনই নয়, ধসে পড়েছে আরও অনেক ভবন। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেখানে উপস্থিত মানুষেরা।
আর এ চিত্র কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের। গতকাল (সোমবার, ১০ আগস্ট) সকালে আঘাত হানে ভয়াবহ ভূমিকম্প। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপের তথ্যানুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ৪ মাত্রা। এর উৎপত্তিস্থল কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালামার থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। তবে কোনো ধরনের সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে হতাহত হয়েছেন অনেকেই। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা কর্তৃপক্ষের। কেননা ভূমিকম্পের আঘাতে বৃহত্তম শহর কালিতে ধসে পড়েছে বেশ কিছু ভবন। সেখানে আটকে আছে অনেকেই। তাদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে মানিজালেস শহরের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল টাওয়ার। শহরের স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সবেচেয়ে বেশ প্রাণহানি হয়েছে পেরেইরা শহরে। তবে রাজধানী বোগোটায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভয়াবহ এ ভূমিকম্পের তীব্রতা এতই ছিলো যে তার কম্পন অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও পানামাও। এদিকে এ ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়াকে সর্বাত্মক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডের।






