ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, স্বাধীনতা অর্জনে যারা বিরোধিতা করেছে, তারা জাতির কাছে আজীবন ঘৃণিত থাকবে। সারাবিশ্বে মানুষ জার্মানির হিটলারকে যেভাবে ঘৃণা করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরাও ঠিক একইভাবে ঘৃণিত হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, মায়ের ভাষার জন্য পৃথিবীতে আমরাই সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছি। আমরা বিশ্বের বুকে এক গর্বিত ও বিজয়ী জাতি। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক লক্ষ্য ও প্রত্যাশা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে। আমরা এখন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই মহান ত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে আমরা আরও উঁচুতে তুলে ধরতে চাই। লাখো বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনই বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা এবং এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বজলুর রশীদ। এরপর বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কুচকাওয়াজ শুরু হয়। কুচকাওয়াজ শেষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয় এবং পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজিসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল ৮টায় মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশাসহ দলীয় অন্যান্য অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।






