চলন্ত ট্রেনে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের নির্দেশনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে বিএসসিএল।
শুক্রবার থেকে কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই চালু হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা ট্রেনের ভেতরেই স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে পর্যটক এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে এই সুবিধা পাচ্ছেন যাত্রীরা।
সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের সব বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা চালুর উদ্যোগের সঙ্গে এই প্রকল্পটি যুক্ত।
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বুধবার এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের কানেক্টিভিটি বাড়াতে সরকার ধারাবাহিক উদ্যোগ নিচ্ছে। চলন্ত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ সেই প্রচেষ্টারই অংশ।’
তিনি বলেন, যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজেই ট্রেনের ভেতর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষামূলক পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই সেবা আরও উন্নত করা হবে বলেও জানান তিনি।
বিএসসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমাদুর রহমান বলেন, সরকারের ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে এবং চলন্ত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর মাধ্যমে যাত্রীদের নতুন ধরনের সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এর ফলে ট্রেন ভ্রমণের সময় যাত্রীরা অনলাইন ক্লাস, অফিসের কাজ কিংবা অন্যান্য ডিজিটাল কার্যক্রম সহজে করতে পারবেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলেন, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে ধাপে ধাপে আরও ননস্টপ ও বেশি চাহিদাসম্পন্ন আন্তঃনগর ট্রেনে স্টারলিংকভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে।
তাদের মতে সেবা স্থায়ীভাবে চালু হলে ট্রেন ভ্রমণের সময় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে এবং যাত্রীদের জন্য নতুন ডিজিটাল সুবিধা তৈরি হবে।






