শুধু অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন, যেভাবে করা যাবে

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সাব-কমিটি সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু: জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এটি প্রকাশিত হয়েছে।

আগামী ৯ আগস্ট থেকে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে আগামী ১৫ সেপ্টম্বর পর্যন্ত। করোনা সংক্রমণের মধ্যে এবার কেবল অনলাইনে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানায়, ভর্তি সংক্রান্ত সকল নির্দেশাবলী নির্ধারিত ওয়েবসাইট (www.xiclassadmission.gov.bd) এ পাওয়া যাবে। তাছাড়া ভর্তির কোন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অন্যকোন মাধ্যমে প্রকাশিত হলে ওয়েবসাইট থেকে যাচাইয়ের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তাছাড়া কোন ধরনের গুজব কিংবা প্রতারকের দ্বারা বিভ্রান্ত না হতেও সর্তক করা হয়েছে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন যেভাবে করা যাবে-

আবেদন পদ্ধতি: (ক) নিম্ন লিখিত নিয়মে আবেদন Submit করতে হবে
১) টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/নগদ/সােনালী ব্যাংক/রকেট-এ আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) গিয়ে “Apply Online” বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রােল নম্বর, বাের্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ দেখতে পাবেন।

২) এরপর শিক্ষার্থীর যোগাযোগ নম্বর (ফি প্রদানের সময় শিক্ষার্থী প্রদত্ত নিজের/অভিভাবকের মােবাইল নম্বর) এবং প্রযােজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে।

৩) অতঃপর শিক্ষার্থীকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি ও সর্বনিম্ন ৫টি কলেজ/মাদ্রাসা সিলেক্ট করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তার সকল আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবেন।

৪) এরপর আবেদনকারী “Preview Application” বাটনে ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন।

৫) Preview-এ দেখানাে তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “submit” বাটনে ক্লিক করবেন।

৬) আবেদনটি সফলভাবে Submit করা হলে আবেদনকারী তার প্রদত্ত যোগাযোগ নম্বরের ফোনে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড থাকবে। এটি গােপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন সংশােধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।

৭) আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ ওই ফরমটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিতে পারবেন।

উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রােল নম্বর, বাের্ড পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দেয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার জিপিএ দেখতে না পেলে, তাঁকে আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেয়ার Transaction আইডিটি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/নগদ/সােনালী ব্যাংক/রকেট) ব্যবহার করেছে তাকে Select করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।

কোটা (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে): মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য কোটায় (FQ) ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী তথ্য-ছকের নির্দিষ্ট স্থানে FQ কোটা Select করবেন। কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদ পত্র থাকতে হবে এবং পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা কর্তৃক যাচাইকরণ হবে বিধায় কোটার অপশন (Option) দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

পছন্দক্রম পরিবর্তন: একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ ৫ বার ইন্টারনেটে ঢুকে কলেজের পছন্দক্রম এবং কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here