শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দেয়া হয়েছে। এক আসনে যদি দুইজন প্রার্থী থাকেন সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হবে কিন্তু শিক্ষক বদলির বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে আমরা প্রভাবিত করিনি।
মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষক সংকট নিয়ে তিনি বলেন, প্রাইমারি স্কুলে ৫০ হাজার সহকারী শিক্ষক দরকার। তারপর আমাদের হেড মাস্টার ৩৮ হাজার। পিএসসি বলছে এতো শিক্ষক একসঙ্গে দেয়া সম্ভব না। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে বললাম। তিনি বললেন লেটস ট্রাই টু ফাইন্ড আউট আদার ওয়ে। কারণ বিগত সরকার এমন ব্যবস্থা করছে- এখন পিএসসির মাধ্যমে নিতে হবে।
বদলি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, একজন বললেন পাঁচজন শিক্ষক থাকলে ট্রান্সফার হবে না, আমাদের শিক্ষক থাকলে না আমরা আইন করতাম এক স্কুলে ছয়জন শিক্ষক দেয়া যেতে পারে। ইউ সি নাউ। তাহলে এরমধ্যে যদি ট্রান্সফার দিয়ে দিই, এমনিতেই নেই শিক্ষক- তাহলে কি স্কুল চলবে? তদবির সিস্টেম তো সব সময় রয়েছে। মিলনের কথা শোনার দরকার নেই। সবাই এসে বলে আমার মামাতো ভাই, আমার খালাতো ভাই- চলছেই তো। আপনারা বললেন ট্রান্সফার নেই। আমরা তো ট্রান্সফারের দায়িত্ব ডিসি সাহেবদের দিয়ে দিয়েছি। এক আসনে যদি দুইজন প্রার্থী থাকেন সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারি করবেন তারা। আমরা তো এটা পলিটিকালাইজ করিনি।
তিনি বলেন, বদলিতে আমরা তো বলিনি যে পলিটিশিয়ান হতে হবে। আমরা তো সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তো বলেছেন। এই ডিসিশন তো ডিসি, ইউএনওদের দেয়া হয়েছে।
ঢাকায় বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্পেশাল কেইস ঢাকায় যেতে পারে। তবে নিয়মেই বাইরে নয়।




