আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শতভাগ পরিমার্জিত নির্ভুল পাঠ্যবই সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক। তিনি বলেছেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে যথাসময়ে পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
বুধবার (২০ মে) সকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক বিতরণের লক্ষ্যে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
শিক্ষা সচিব বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত জাতীয় জীবনে যার যতটুকু প্রাপ্তি ও অবদান রয়েছে, তা কোনো ধরনের বিকৃতি ছাড়াই প্রকৃত আকারে বইয়ে তুলে ধরতে হবে। পাঠ্যবইয়ে ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান এবং স্বাধীনতার ঘোষণার বিস্তারিত বিবরণসহ মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন সেক্টর ও ফোর্সের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসে যার যতটুকু অবদান রয়েছে, তা যুক্ত করা হচ্ছে।’
তিনি আরো জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৩০ কোটি পাঠ্যপুস্তক ছাপা ও বিতরণের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ যেন কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সম্পন্ন হয়, সেজন্য এনসিটিবি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও রোডম্যাপ তৈরি করেছে।
এনসিটিবি’র বিশেষজ্ঞরা এই রোডম্যাপ অনুযায়ী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন উল্লেখ করে সচিব বলেন, ‘জুন মাসের মধ্যেই শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) চূড়ান্ত করা, বই বাছাই এবং ওয়ার্ক অর্ডার (কার্যাদেশ) দেয়ার প্রক্রিয়াগুলো পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে বলে এনসিটিবি থেকে জানানো হয়েছে। পাঠ্যবই ছাপা কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা (ট্রান্সপারেন্সি) নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
পর্যালোচনাসভায় এনসিটিবি চেয়ারম্যানসহ বোর্ডের অন্যান্য সদস্য এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






