লক্ষীপুরে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) শিক্ষকের লাথিতে কোমরে আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ছাত্র মো. রায়হান খন্দকার (১৬)। একই সময়ে আরেক ছাত্র প্রিয় গোবিন্দকেও লাথি মারেন সেই শিক্ষক। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার খিলবাইছা এলাকায় টিটিসির ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সেই শিক্ষকের নাম শামছুল আলম।

রায়হান ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের দশম শ্রেণির ছাত্র ও সদর উপজেলার বিজয়নগর এলাকার সিরাজ উল্যা খন্দকারের ছেলে। শিক্ষক শামছুল আলম ওয়েল্ডিং ট্রেডের সিভিল ইন্সট্রাক্টর।

শিক্ষার্থীদের থেকে জানা যায়, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলছে। ঘটনার সময় ওই শিক্ষক প্রশ্নপত্র নিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। ফ্যানের রেগুলেটর বাড়ানোর জন্য রায়হান বৈদ্যুতিক বোর্ডে হাত দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিক্ষক শামছুল ছাত্র রায়হানের কোমরে লাথি মারেন। এতে সে অচেতন হয়ে পড়ে। শিক্ষকের পায়ে তখন বুটের জুতা ছিল। রায়হানকে উদ্ধার করতে গেলে সহপাঠী প্রিয় গোবিন্দকেও লাথি মারেন শিক্ষক। খবর পেয়ে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা রায়হানকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এর আগে ওই শিক্ষকের হাতে কয়েকজন শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here