মোবাইল ফোনে কথা বলায় বাড়তি শুল্ক থাকছে না

ছবি সংগৃহীত

গ্রাহক অসন্তোষ আর অপারেটরদের আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল ফোন সেবার ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে আগের মতোই ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক থাকবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বাড়তি শুল্ক আদায় থেকে সরে আসছে বলে এনবিআরের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল।

বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সব ধরনের সম্পূরক শুল্ক কার্যকর হয়ে যায়। ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, খুদে বার্তাসহ অন্যান্য সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১ শতাংশ সারচার্জ, ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়।

সব মিলিয়ে এখন ১০০ টাকা রিচার্জ করলে সরকার পায় ২৫ টাকা। সম্পূরক শুল্কহার আবার আগের জায়গায় ফেরত গেলে সরকার পাবে ২২ টাকা। আর গ্রাহক ৭৮ টাকা ব্যবহার করতে পারবেন। বাড়তি শুল্ক আরোপ করায় গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে ৩ টাকা।

বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় গ্রাহক পর্যায়ে তীব্র সমালোচনা হয়। বাজেট ঘোষণার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটররা বাড়তি সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২০ সালের অর্থবিল পাস করার সময় অর্থমন্ত্রী বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।

এর আগে ১৬ জুন রাতে বাজেট নিয়ে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় পরিকল্পনা মন্ত্রী আবদুল মান্না বলেছিলেন, ‘মোবাইল কল ও ইন্টারনেটের ওপর সামান্য চার্জ ধরলে বেশি রাজস্ব পাওয়া যাবে এই আশায় সরকার চার্জ আরোপ করেছে। কিন্তু যুবক তরুণ এবং গ্রামে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এটা তাদের ওপর চাপ হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় সরকারের উচ্চ মহলে এটা হিট করেছে। এটা আলোচনা হবে, সংসদেও আলোচনা হবে। আমার মনে হয় একটা সমাধান হবে।’

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here