“বাচ্চা মানুষ হবে কি না তা নির্ভর করে বাবা মায়ের নীতি-নৈতিকতার উপর”

লকডাউনে এখন বাসায় অধিকাংশ সময়ই কাটছে আমাদের। অন্তত এক ওয়াক্ত নামাজ হলেও সবাই মিলে জামাত করে পড়ুন না। আপনি নিজে কিংবা ছেলেকে সামনে ঠেলে দিন ইমামতি করার জন্য। দেখুন না কি অপার আনন্দ আর পবিত্রতা নিহিত আছে সেখানে। বাচ্চা মানুষ হবে কি হবে তা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে বাবা মায়ের নীতি নৈতিকতা, মূলবোধ আর জীবন যাপন প্রণালির উপর।

অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন আজ বুধবার ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন।

তার দেওয়া স্টাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

আমার মত বাপের মাইর এই জগতে বোধহয় আর কেউ খায় নাই। রাগের মাত্রাভেদে উনি আমার হাত দুইটা গামছা দিয়া বাঁধতেন। এরপর শুরু…….. (আমার জন্য অনেকগুলো বিভিন্ন ডায়ার বেত ছিল)
ওহ! সাথে বলে নেই। আমার শয়তানিও বোধহয় জগতে বিরল ছিল।

নাহ! এখন সেটা সম্ভব নয়। এখন বাচ্চার গায়ে হাত লাগানো তো দূরের কথা হাত তোলাও যাবে না।
এখন বাচ্চা মানুষ হবে কি হবে তা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে বাবা মায়ের নীতি নৈতিকতা, মূলবোধ আর জীবন যাপন প্রণালির উপর।

এমনকি বাবা মায়ের পারস্পারিক সম্পর্কও বাচ্চাদের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করে।

এখন আপনি যে জীবন স্টাইল বেছে নেবেন, আপনার বাচ্চাদেরও সেই স্টাইলেই জীবন প্রবাহিত হবে। তবে দুর্ভাগ্য হচ্ছে, মুসলমান হিসেবে অনেক বাবা মায়ের সন্তানই বাবা মায়ের জন্য সামান্য দোয়াটাও পারে না বা শেখেনি।

লকডাউনে এখন বাসায় অধিকাংশ সময়ই কাটছে আমাদের। অন্তত এক ওয়াক্ত নামাজ হলেও সবাই মিলে জামাত করে পড়ুন না। আপনি নিজে কিংবা ছেলেকে সামনে ঠেলে দিন ইমামতি করার জন্য। দেখুন না কি অপার আনন্দ আর পবিত্রতা নিহিত আছে সেখানে।

যাকাত ফরজ না হলেও আপনার সন্তানকে বলুন তার জমানো টাকার উপর যাকাত আদায় করতে। তা যত সামান্যই হোক। দান-খয়রাতে অভ্যাস গড়ে তুলুন বাচ্চাদের।

আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here