পশ্চিমবঙ্গে এনআরএসকাণ্ডে জট কাটানোর উদ্যোগ। নবান্নে গেলেন সিনিয়র ডাক্তাররা। জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক সিনিয়র ডাক্তারদের। বৈঠকে রয়েছেন ডা.সুকুমার মুখোপাধ্যায়, ডা. মাখনলাল সাহা, ডা. অভিজিৎ চৌধুরী, ডা, অলকেন্দু ঘোষ। নবান্নে গিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজিও। এদিকে, এনআরএসে আন্দোলনে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা। শুক্রবার জুনিয়ার ডাক্তারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন আমরা পদবী দেখে চিকিৎসা করি। ওঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। তারপর আলোচনা করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী না এলে আন্দোলন উঠবে না’’।

অন্যদিকে, ইস্তফা দিলেন নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ১০৪ জন চিকিৎসক। এদিন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রায় ৮০ জন সিনিয়র ডাক্তার ইস্তফা দিয়েছেন। পদত্যাগ করেছেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজেরও বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। সব মিলিয়ে ৩০০ জনের মতো হবে সংখ্যা।

ইতিমধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন এনআরএসের অধ্যক্ষ এবং সুপার। উল্লেখ্য, এনআরএসের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া হুঁশিয়ারির পরই বৃহস্পতিবার থেকে গণ-ইস্তফা দিতে শুরু করেন চিকিৎসকরা।

অবশেষে শুক্রবার সকালে এনআরএস হাসপাতালে চালু হয়েছে জরুরি পরিষেবা। জরুরি বিভাগে রোগীদের ঢুকতে অনুমতি চ দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে এখনও বন্ধ রয়েছে আউটডোর পরিষেবা। রাতভর বিক্ষোভে শামিল জুনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতালের গেটে কার্যত প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা। শুধুমাত্র জরুরি বিভাগেই রোগীদের অনুমতি দিচ্ছেন ডাক্তাররা। পাশাপাশি রোগীর আত্মীয়দের একাংশকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, এনআরএসে জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভে শামিল হয়েছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বেশ কিছু সরকারি হাসপাতাল। এনআরএসের পাশে দাঁড়িয়ে আজ একদিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে দিল্লির এইমস। পাশাপাশি এদিন কালো ব্যাজ পড়ে প্রতিবাদ জানাবে আইএমএ। হাসপাতালে ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে চরম হয়রানির মুখে রোগীরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here