সম্প্রতি দেশের প্রথম সারির জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ ‘মেনজ ক্লাব’, ঈদের ফটোশুট করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির নতুন পণ্যের ফটোশুট হয়েছে মসজিদের ভেতরে। তাদের এমন ফটোশুটের ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। বইছে সমালোচনার ঝড়। ছবিতে দেখা যায় লাইট, ক্যামেরা নিয়ে ফটোগ্রাফার এবং সহকারীরা মসজিদের প্রথম কাতারে দাঁড়িয়ে আছেন। সঙ্গে আছেন একজন নারীও।

মেনজ ক্লাবের এ ধরনের ফটোশুট প্রসঙ্গে ফেসবুকে মাসুদ আনসারী নামে একজন লিখেছেন, মসজিদে চলছে ব্র্যান্ড MENZ KLUB এর ঈদ কালেকশন শুট! এমন কাজকে ধিক্কার জানাই। মসজিদ কর্তৃপক্ষ কই? এরা কীভাবে ঢুকলো? আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এরা সাহসটা পাইলো কই? বাড়াবাড়ির একটা লিমিট থাকা উচিত। এই লজ্জাজনক কাজটার জন্য ব্র‍্যান্ড কর্তৃপক্ষ যদি ক্ষমা বা অনুতপ্ত না হয়; তাহলে এটাকে ভাইরাল করে দিন যেভাবে পারেন। আর কিচ্ছু লাগবে না, এই ব্র‍্যান্ডের দাফন হয়ে যাবে।

‘পুরান ঢাকা’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ লিখেছে- ধিক্কার জানাই MENZ KLUB কে। মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করার জন্য। আমাদের ঈমান দিন দিন নষ্ট হচ্ছে বলেই আজ আমাদের দেশে ‘ফনির মতন’ এত আজাব আসতেছে। আপনারা দেশ সেরা ব্র্যান্ড। আপনারাই যদি এমন কাজ করেন, অন্য ছোট ব্র্যান্ডরাও আপনাদের পথ অনুসরণ করবে। আমরা সবাই জানি মসজিদে ক্যামেরা ব্যবহার করা নিষেধ। সেখানে আপনেরা প্রি-প্ল্যান ফটোশুট করছেন। ‘তারা মসজিদ’-এর মতন একটি বিখ্যাত মসজিদে কীভাবে আপনারা অনুমতি পান ফ্যাশন ফটোশুট করতে? ভাই আমরা এত বেশি নামাজ পড়ি যে লোকে নাম দিয়েছে ‘শুক্কুর বারের মুসলমান’! ভাই দয়া করে আর পাপের বোঝা বাড়াইয়েন না। না হলে ‘ফনির’ পর ‘কনি’ আসবে। আপনাদের এই ফ্যাশন ফটোসেশন মসজিদ অবমাননাকারীর শামিল।

আজম আহমেদ নামে একজন লিখেছেন-ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’-এ MENZ KLUB এর ঈদ ফটোশুট : মসজিদ ইবাদতের স্থান আর এরা এখানে ফটোশুট করার অনুমতি পেল কি করে? মেনজ ক্লাবের মতো একটি নামকরা ব্র্যান্ড যদি এই গর্হিত কাজ করে পরবর্তীতে অন্যরাও উৎসাহিত হবে, আল্লাহর ঘরে ঈদ ফটোশুট করতে।

আল্লাহ সবাইকে সঠিক বিষয় বোঝার তাওফিক দিক। এমন অসংখ্য বিতর্কিত মন্তব্য এখন ফেসবুক দুনিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এ বিভাগে প্রকাশিত লেখা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংগৃহীত। স্টুডেন্ট জার্নাল-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here