দেশে করোনা শনাক্তের এক বছর

ঢাকার মুগদা হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। (ফাইল ছবি)

দেশে করোনা শনাক্তের এক বছর আজ। এই সময়ে এমন একটি দিনও যায়নি- যেদিন কেউ- করোনায় মারা যাননি। প্রতিদিন যোগ হতে হতে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ সাড়ে পাঁচ লাখে, মৃত সাড়ে আট হাজারে আর সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে।

মহামারির দিনলিপি মানেই সুস্থ-অসুস্থ আর প্রাণহানির হিসাব-নিকাশ। গেলো বছর আট মার্চ যে হিসাবের খাতা খুলেছে বাংলাদেশ তা কখনও স্বস্তি দিয়েছে, কখনও বা হয়েছে উদ্বেগের।

মার্চে কোভিডের শুরুটা টেস্ট ক্রিকেটের গতিতে হলেও; গেলো জুন-জুলাইয়ে রূপ নেয় টি-টোয়েন্টিতে। সরকারি হিসাবে, ১৭ জুন প্রথমবারের মতো চার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয় করোনায়। এই মাসেই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রাণ হারান ৬৪ জন।

সংক্রমণের উর্ধগতি অক্টোবরের পর মোটামুটি নেমে এলেও-কমেনি মৃত্যুর সংখ্যা। পশ্চিমের দেশগুলোর মতো না হলেও- বারো মাসে সাড়ে আট হাজার মানুষের প্রাণহানি সঙ্গী করেই এগুচ্ছে করোনা ক্যালেন্ডার।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শিশুরা করোনায় কম আক্রান্ত হয়েছে। এই সংখ্যা কম নারীদেরও। সংক্রমণ, মৃত্যু দুটোই কম নারীদের। সে তুলনায় পুরুষদের জন্য করোনা দু:সংবাদই বলা যায়। প্রাণহানি আর সংক্রমণে ৭০ শতাংশেরও বেশি পুরুষ। করোনা উদ্বেগ বয়ে এনেছে পঞ্চাশোর্ধদের জন্যও। যারা মারা গেছেন, তাদের ৬৫ শতাংশেরই বয়স পঞ্চাশের ওপরে।

মহামারির এই সংখ্যাতত্ত্ব খুব শিগগিরই মানুষের পিছু ছাড়ছে না। এর মাঝেই বাড়ছে ভ্যাকসিনেটেড মানুষের সংখ্যা- এটাই আশার। টিকা নেয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ুক-অসুস্থ, মৃতদের সংখ্যা হোক শূন্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here