তুরস্কে উচ্চশিক্ষার হাতছানি, আবেদন শুরু ১০ জানুয়ারি

তুরস্কে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে দেশটির সরকার প্রতি বছর পাঁচ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়ে থাকে। পৃথিবীর ১৭২টি দেশ থেকে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করা যায়। আগ্রহীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে পড়াশোনা করতে পারবেন। বৃত্তিপ্রাপ্তরা তুরস্কের ৫৫টি শহরের ১০৫টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান।

এ বছরের আবেদন নেওয়া শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে। ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবে আবেদনের শেষ সময়।

শিক্ষা বৃত্তির সুযোগ সুবিধার মধ্যে রয়েছে-টিউশন ফিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় খরচ। আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা। বিনা মূল্যে এক বছরের তুর্কি ভাষা শেখার ব্যবস্থা। স্বাস্থ্যবিমা তথা বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা। মাসিক সম্মানী ভাতা (স্নাতক ৮০০ লিরা, স্নাতকোত্তর ১১০০ লিরা ও পিএইচডিতে এক হাজার ১৬০০ লিরা দেওয়া হয়)। প্রথমবার যাওয়া ও পড়ালেখা শেষ করে দেশে ফেরার বিমান টিকিট।

আবেদনের শর্তাবলি:

স্কলারশিপ পেতে হলে স্নাতকের জন্য এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ এবং স্নাতকোত্তর-পিএইচডির জন্য স্নাতক-স্নাতকোত্তরে ৭৫ শতাংশ মার্কস থাকতে হয়। তবে মেডিকেলে ভর্তি হতে চাইলে ৯০ শতাংশ মার্কস লাগবে। তুরস্কে পড়াশোনার ভাষা তুর্কি হলেও কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজিতে পড়ার সুযোগ দেয়। এ ক্ষেত্রে আইইএলটিএস বা জিআরই থাকতে হয়।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

সকল পরীক্ষার সার্টিফিকেট। সকল পরীক্ষার মার্ক সিট।জন্মনিবন্ধন (ইংরেজিতে), জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের স্ক্যান কপি। আইইএলটিএস, টোফেল ও জিআরই ইত্যাদির সার্টিফিকেট (যদি থাকে)। দুটি রেফারেন্স লেটার (বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের হলে ভালো হয়)। যত প্রকার এক্সট্রা কারিকুলাম সার্টিফিকেট আছে (রচনা প্রতিযোগিতা, স্কাউট, বিএনসিসি, জিপিএ ৫ সংবর্ধনা, কোনো এনজিও বা অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করা ইত্যাদি)।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here