ছাত্রলীগের অত্যাচার-নির্যাতনে কারো মৃত্যু হলে শহীদ কিন্তু বেঁচে গেলে শিবির বলা হয় বলে দাবি করেছেন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে আটকে ছাত্রলীগ কর্তৃক রাতভর বর্বর নির্যাতন করা হয়েছে। আজকে এই ছেলেগুলো মারা যায় নি, তাই তারা শিবির হয়ে গেছে। গতকাল একটা ছেলে মারা গেলে তারাও হয়তো আবরার হয়ে যেতো। সারা দেশে প্রতিবাদ হতো। কিন্তু আজকে কোথাও কোনো প্রতিবাদ নেই।

আজ বিকালে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা বলেন তিনি। তার পুরো পোস্টটি তুলে ধরা হলো-

“মরলে শহীদ আবরার, বাঁচলে শিবির!

বাংলাদেশের এখন সব থেকে বড় সন্ত্রাসী ভাইরাস হলো ছাত্রলীগ। আপনার সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য ছাত্রলীগ থেকে দূরে রাখুন। আপনার সন্তানদের ছাত্রলীগের টিকা দিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে আটকে ছাত্রলীগ কর্তৃক রাতভর বর্বর নির্যাতনের প্রতিবাদে ডাকসু ভিপি নুরুলহক নুর সহ “সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য” এর ব্যানারে রাজু ভাস্কর্য থেকে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

আজকে এই ছেলেগুলো মারা যায়নি, তাই তারা শিবির হয়ে গেছে। গতকাল একটা ছেলে মারা গেলে তারাও হয়তো আবরার হয়ে যেতো। সারা দেশে প্রতিবাদ হতো। কিন্তু আজকে কোথাও কোনো প্রতিবাদ নেই।

একটা ছেলে শিবির করলেও তাকে মারার লাইসেন্স ছাত্রলীগকে কে দিয়েছে? তারপরে থানায় আটকে রাখার লাইসেন্স পুলিশকে কে দিয়েছে?

এখনও সময় আছে, সারাদেশের প্রতিবাদী জনতা জেগে উঠুন। অন্যথায় ছাত্রলীগের এই সন্ত্রাসীরা আপনার সন্তানকেও একদিন বিনা দোষে শিবির বলে পিটাবে। প্রতিটি নাগরিককে জামায়াত-শিবির বলে পিটাবে। আর সেটাকে পুলিশ দিয়ে মামলা করে জায়জ করবে।”

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here