ছবিতে আসামে রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়াদের জন্য নির্মিত বন্দীশিবির

আসামের নাগরিক তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে তারা মূলত অতি দরিদ্র এবং বেশিরভাগই মুসলমান। যদিও ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতাদের আশঙ্কা, বাঙালি অনেক হিন্দুর নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সে ক্ষেত্রেও দেখা যাবে গরিব লোকজনই আসলে বাদ পড়েছে।

আইনি সাহায্য নিতে গড়ে প্রত্যেক ব্যক্তির খরচ পড়বে ৪০ হাজার ভারতীয় রুপির মতো। যদি ওই মামলা সুপ্রিমকোর্ট পর্যন্ত যায়, তবে খরচ আরও বাড়বে।

দরিদ্র এ মানুষগুলো আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘোরার এবং মামলা লড়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে পাবে সেটাও বড় প্রশ্ন।

এদিকে বাদ পড়াদের জন্য বন্দী শিবির তৈরী করছে ভারত সরকার। সেগুলোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ছবিসহ দেওয়া হলো।

ডিটেনশন ক্যাম্পের প্রাচীর এতটাই উঁচু যে বাইরে চোখ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া লাখ লাখ অসমীয় হয়ে যাবেন একেবারে ভিন্ন জগতের মানুষ। ছবি: জি নিউজ
থাকছে আধুনিক সব বন্দোবস্ত। ১৫টি চারতলা বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। যার মধ্যে দুটি হবে নারীদের জন্য। থাকবেন তিন হাজার লোক। ছবি: জি নিউজ
একটি ঘরে চার থেকে পাঁচজন লোক থাকবেন। শিশুদের নিয়ে থাকা নারীদের জন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। ছবি: জি নিউজ
প্রাচীর দিয়ে ঘেরা থাকবে আড়াই হেক্টর জমি এলাকা। বাইরের প্রাচীর ২০ ফুট উঁচু, ভেতরের প্রাচীর ৬ ফুট উঁচু। থাকবে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। ছবি: জি নিউজ
ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকবে একটি হাসপাতাল, একটি অডিটোরিয়াম ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবার জন্য একটি রান্নাঘরও থাকছে। ছবি: জি নিউজ
গেল বছর থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ছবি: জি নিউজ
ডিটেনশন ক্যাম্প প্রস্তুত করতে খরচ হবে ৪৬ কোটি টাকা। দায়িত্ব পেয়েছে আসাম পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশন। ছবি: জি নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here