চীন-ইতালিকে ছাড়িয়ে করোনা আক্রান্তের রেকর্ড গড়ল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্র এখন সবার ওপরে। বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি করোনা রোগী এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এখন ‘করোনাভাইরাস পজিটিভ’ রোগীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৬৫৩ জন।

আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে করোনার সূতিকাগার চীন এবং প্রাদুর্ভাবের নতুন আঁতুড়ঘর ইতালিকেও ছাড়িয়ে গেছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, চীনে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৭০০ জন। আর ইতালিতে ৮০ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল। এর পর এই ভাইরাস বিশ্বের ২০০ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৩১ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। মারা গেছেন ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ।

মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করে।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ইতালিতে। দেশটিতে ৮ হাজার ২১৫ জন মারা গেছেন। এর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৬৫ জন মারা গেছেন স্পেনে। চীনে মারা গেছেন ৩ হাজার ২৯১ জন। ইরানে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩৪ জনের। ফ্রান্সে মারা গেছেন ১ হাজার ৬৯৮ জন। আর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৯০ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৭১ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৯০ জন।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। কেবল বৃহস্পতিবারই ৬০ হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ ভাইরাসে মৃ্ত্যুর সংখ্যা ইতিমধ্যে ২৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here