এখন যে কথা বেশি শুনা যায়, তাহলো ঘুম কম হওয়া। কারও কারও আবার ইনসমনিয়ার সমস্যার কারণে ঘুম হয়না। ফলে এর প্রভাব পরের দিনের কাজের ওপরে। তাই জেনে নিন ঘুম কম হলে কী করবেন।

গরম-ঠাণ্ডা গোসল: ঘুম কম হলে সকালে উঠেই একটু ভিন্ন পদ্ধতিতে গোসল সেরে নিতে পারেন। গোসল করার সময় না পেলে মুখে হিম শীতল পানির ঝাপটা দিন। এতেও ঘুম যাবে।

অক্সিজেন: রাতের ঘুম কম হলে মস্তিষ্ককে সজাগ রাখতে প্রয়োজন বাড়তি অক্সিজেন। বিশেষ ব্যায়ামের মাধ্যমে মস্তিষ্কে বাড়তি অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব। জেনে নিন পদ্ধতিটি।

মেঝেতে কিংবা যে কোনো সমান্তরালে শুয়ে পরুন। এক হাত পাকস্থলী বরাবর রাখুন এবং আরেকটি হাত বুকে রাখুন। নাক দিয়ে গভীর নিঃশ্বাস নিন এবং পেটে রাখা হাত দিয়ে সেটা অনুভব করার চেষ্টা করুন।

মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। ছাড়ার সময় পেটে রাখা হাত দিয়ে অনুভব করুন যে পেট ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। পুরো দমটা বের করে দিন। এভাবে ৫-১০ বার করুন।

সকালের ব্যায়াম: খুব ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। খুব হালকা কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা ৩০ মিনিট হাঁটলেই রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। ফলে রাতে না ঘুমানোর ফলে সৃষ্ট ক্লান্তি ভাব কমে যাবে অনেকটাই।

খোলা আকাশের নিচে যান: রাতে ঘুম না হলে পরের দিন সবচাইতে বেশি কষ্ট হয় কর্মক্ষেত্রে। কাজ করতে বসলেই ঘুম পায়। ঘুম পেলে কিছুক্ষণের জন্য খোলা আকাশের নিচে বের হয়ে পড়ুন।

কাজের তালিকা তৈরি: ঘুম না হলে অল্প কাজও অনেক বেশি মনে হয়। অনেক কাজ আছে এটা ভেবে কোনো কাজই হয় না। তাই কাজের পরিকল্পনা তৈরি করুন। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো তালিকার প্রথম দিকে রাখুন। এতে কাজ গুছিয়ে নেয়া অনেক সহজ হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here