গাবতলীর হাটে ইজারাদারদের ফাঁদে অসহায় ইদ্রিস মিয়া

সংকটের সময়ও গাবতলীর হাটের সবচেয়ে বড় গরু ‘বাদশা’ বিক্রি হয়নি। তাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মালিক নরসিংদীর ইদ্রিস মিয়া। আবার ইজারাদারদের ‘বিক্রির’ চাপে গরুটি নিয়ে বাড়িতেও যেতে পারছেন না তিনি।

ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘বিক্রি করতে না পেরে বাসায় যেতে চাই। কিন্তু সেটাও পারছি না। ইজারাদাররা আমাকে গরু নিতে দেয় না। তাদের কথা, গরু বিক্রি করে তবেই হাট থেকে যেতে হবে। তারা বাজার থেকে গরু নেওয়ার জন্য রসিদ দিচ্ছে না। রসিদ ছাড়া গরুও নিতে পারছি না। আমি হতাশ হয়ে পড়েছি। এখানে গরু রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। গরমে আমার গরুটি যেকোনো সময় স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে।’

প্রায় ৩৫ মণ ওজনের বাদশা নামের গরুটির মালিক ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘গত পাঁচ বছর এ গরুটিকে লালনপালন করছি। এ গরুটি নরসিংদীতে আট লাখ টাকা দাম বলেছে। কিন্তু বিক্রি করিনি। গাবতলীর বাজারে নিয়ে এসে বিপাকে পড়েছি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে এভাবে বলে যাচ্ছিলেন ইদ্রিস মিয়া। বলেন, ‘ভাই, আমার ১০ বছরের সম্বল। আমি গরুটি বিক্রি করতে না পেরে কষ্টে আছি। এখন ইজারাদারদের ফাঁদে পড়ে শেষ সম্বল হারিয়ে যাওয়ার অবস্থা। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here