মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ তখনই হবে, যখন সে মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ হবে। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রায় সবাই উদাসীন।

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু)-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ মানসিক স্বাস্থ্য।
শারীরিক ও মানসিক উভয়ভাবে নিরোগ থেকে জীবন উপভোগ করা ও সাধ্য অনুযায়ী ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে কিছু করতে পারার ক্ষমতাই মানসিক স্বাস্থ্য। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ১০ অক্টোবর হলো পৃথিবীর সকলের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন।

এ বছর ‘মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’ হলো মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মূল লক্ষ্য। আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে সারা বিশ্বজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে মিছিল, আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক মানুষই নানা সময় আত্মহত্যাপ্রবণ হয়ে ওঠেন।

কিন্তু মনে রাখা দরকার, যদি বাইরে থেকে কোনো সাহায্যের সুযোগ না পাওয়া যায়, তাহলে নিজেকেই সেই সাহায্য করতে হবে নিজের জন্য। সব কিছু পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ জীবন একটাই এবং সেটি খুবই সুন্দর।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের রিপোর্ট বলছে, বছরে প্রায় ৮ লাখ মানুষ আত্মহত্যা করেন। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে এক জন। ভারতে ২০১২ সালে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

সামাজিক, পারিবারিক, ব্যক্তিগত, কর্মজীবন; এমন নানা ক্ষেত্র বা সম্মিলিত কারণের জেরেই মানুষের মৃত্যুচিন্তা আসে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এটিও কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার মতোই একটি সমস্যা। যা নিয়ে কথা বললে, ওষুধ খেলে আপনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

মানসিক কোনো চাপ, মৃত্যুচিন্তা এমন কোনো সমস্যা তৈরি হলে আপনার কাছের কোনো মানুষকে খুলে বলুন। আলোচনা করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সবার আগে কথা বলুন নিজের সঙ্গে … বোঝান এবং পছন্দের কারো সঙ্গে মন খুলে গল্প ও আলোচনা করুন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here